ব্রেকিং নিউজ
লিটন আফরোজ
২০ মে ২০২৬, ৮:৪৪ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

সকালে পদোন্নতি বিকেলে প্রত্যাহার, পরদিন বরখাস্ত বিমান কর্মকর্তার

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ওই কর্মকর্তার নাম মিজানুর রশীদ।

তিনি বিমানের মহাব্যবস্থাপক ও ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

জানা গেছে, মিজানুর রশীদের বিরুদ্ধে রয়েছে নানা দুর্নীতির অভিযোগ। তবে, তিনি অদৃশ্য ক্ষমতা বলে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থাটির অর্থ পরিদপ্তর আর প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

সোমবার তাকে সেই পদ থেকে পরিচালকের পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এ নিয়ে বিমানের কেন্দ্রীয় কার্যালয় বলাকায় তোলপাড় চলে। শেষ পর্যন্ত সেই পদোন্নতি আদেশ বাতিলের পর মঙ্গলবার তাকে সাসপেন্ড করা হলো।

মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এমডি ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান করপোরেশন এমপ্লোয়ীজ রেগুলেশনের ১৯৭৯-এর ৫৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাকে আগামী ২০ মে থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৮ মে) সকালে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগ থেকে মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ) খন্দকার বাকী উদ্দিন আহম্মদের সই করা এক আদেশে মিজানুর রশীদকে পদোন্নতির কথা জানানো হয়। এই খবর প্রকাশের পর বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ হলে ওই দিন বিকেলে একই বিভাগ থেকে তার পদোন্নতি আদেশ বাতিল করা হয়।

বিমান সূত্র জানায়, সরকারি অর্থে সফটওয়্যার কেনায় প্রায় ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিভাগীয় মামলার মুখে পড়েছিলেন মো. মিজানুর রশীদ। যদিও তিনি সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। তবে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি নিয়ে এখনো অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এই অনুসন্ধানের মধ্যেই মহাব্যবস্থাপক (যানবাহন) হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় গত ৪ মার্চ মিজানুর রশীদকে বদলি করে অর্থ ও হিসাব বিভাগে নেওয়া হয়।

পরদিন আবার তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়। পাশাপাশি অর্থ বিভাগের পরিচালকের দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত করা হয়েছিল।

সূত্র আরও জানায়, মিজানুর রশীদের বাবা ও বড় ভাইও বিমানের কর্মকর্তা ছিলেন। তার বড় ভাই মো. হারুন অর রশীদ ভ্রমণ ভাতা ও দৈনিক ভাতার ভুয়া ভাউচার তৈরি করে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন। ২০১৮ সালে আদালত তাকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন। বর্তমানে তিনি পলাতক।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী সমিতির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

ত্রিশালে বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতা গ্রেফতার

কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন ফুলবাড়ীয়ার কৃতি সন্তান আব্দুল করিম সরকার

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

“২০ বছরের অপেক্ষার অবসান: অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের”

আদালতে নেওয়া হয়েছে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে

৮ লাখ ৫২ হাজার ১৫৭ কোটি টাকার ছায়া বাজেট প্রকাশ এনসিপির

যৌতুকের নির্যা/তন সইতে না পেরে আত্ম/হত্যা

ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন পাটওয়ারী

সংবিধান সংশোধন ইস্যুতে উত্তাপ ছড়াবে সংসদ

১০

বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতা দেবে চীন

১১

একটা শক্তির উত্থান হচ্ছে, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না: মির্জা ফখরুল

১২

পদ্মায় ডুবে যাওয়া বাস উদ্ধার, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি

১৩

নিখোঁজ তিন কিশোরী উদ্ধার, পরিবারের কাছে হস্তান্তর

১৪

যশোরে কৃষক দল নেতা মহসিন আলীকে শোকজ

১৫

ফের মা হলেন চিত্রনায়িকা বুবলী

১৬

দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মায় বাস পড়া নিয়ে যা বলল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

১৭

দীপিকার মানসিক স্বাস্থ্য আন্দোলনের অজানা গল্প শোনালেন প্রকাশ পাড়ুকোন

১৮

রাজনীতিকদের ‘হীন’ বানানোর চেষ্টা চলছে: মির্জা ফখরুল

১৯

দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০০ কোটি ডলারে নিতে চায় তুরস্ক

২০